ইতিহাসের তথ্য সংগ্রহে ইন্টারনেটের ব্যবহারের সুবিধা ও অসুবিধা

এক সময় ইতিহাসের কোনো একটি নির্দিষ্ট ঘটনা বা সাল-তারিখ জানতে বীভীণ্ণ জাইগাই ঘুরতে  হতো। ধুলোবালে জামা পুরাতন বই খোঁজাখুঁজি করতে হতো অনেক ঘটনা এবং ইতিহাস পড়ার পরে জানা যেত।কিন্তু আজকাল প্রযুক্তি এসেছে বলে পৃথিবীর পুরনো ইতিহাস খোজা খুব সহজ। 

তেমনি ইতিহাসের তথ্য সংগ্রহে ইন্টারনেটের ব্যবহারের কার কিছু সুবিধা রয়েছে ঠিক তেমনি কিছু অসুবিধা হয়েছে আজকের ব্লগে আমরা এই সুবিধা এবং অসুবিধা নিয়ে আলোচনা করব। 

পেজ সূচিপত্রঃইতিহাসের তথ্য সংগ্রহে ইন্টারনেটের ব্যবহারের সুবিধা ও অসুবিধা 

বর্তমান যুগে ইন্টারনেট ব্যবহার করার প্রয়োজনীয়তা কি? 

ইন্টারনেট ব্যবহার করে আমরা যে কোন অজানা বিষয় ইতিহাস বিজ্ঞান সাধারণ জ্ঞান গুগলে বা বিভিন্ন জায়গায় কাজ করে থাকি।ঘরে বসেই ইউটিউব দিবেন না পের মাধ্যমে দেশ-বিদেশের শিক্ষামূলক ক্লাস করা এবং মেনশন করা সম্ভব হয়। এর মাধ্যমে আমরা সরাসরি দেশের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে সাথে যোগাযোগ করতে পারি এবং সরাসরি তার থেকে বিভিন্ন ধরনের তথ্য পেয়ে থাকি।

বর্তমান যুগে ইন্টারনেট কোন বিলাসিতা নয় বরং জীবনরা তার এক অপরিহার্য মৌলিক চাহিদা। সকালে ঘুম থেকে ওঠা শুরু করে রাতের ঘুমেতে যাওয়ার পর পর্যন্ত আমাদের প্রতিটি কাজ কোন না কোন ভাবে ইন্টারনেটের উপর নির্ভর করে। জাতীয় পরিচয়পত্র পাসপোর্ট ড্রাইভিং লাইসেন্স ইত্যাদি চাকরির ক্ষেত্রে আবেদন করার জন্য ঘরে বসেই ইন্টারনেটে করা যাচ্ছে। আবার টাকা লেনদেনের ক্ষেত্রে ব্যাংককে লম্বা লাইন না ধরে বিকাশ রকেট বাই ইন্টারনেট ব্যাংকিং এর মাধ্যমে বিভিন্ন জায়গা থেকে টাকা লেনদেন করা যায় খুব সহজেই। 

তথ্য সংগ্রহে ইন্টারনেটের ব্যবহার 

আমাদের দৈনন্দিন জীবনে বিভিন্ন কাজের জন্য আমার করে থাকি শিক্ষাক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের গবেষণার ক্ষেত্রে ইন্টারনেটের ব্যবহার অপরিহার্য। ইন্টারনেট ব্যবহার করে আমরা অনেক ধরনের তথ্য জানতে পারি পুরনো তথ্য নতুন তথ্য। 

আগে গবেষণা করার জন্য বিভিন্ন ধরনের জাদুঘর বা লাইব্রেরীতে যেতে হতো কিন্তু এখন ইন্টারনেটের জন্য বিজ্ঞানীরা থেকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে সেই তথ্যগুলো জানতে এবং ব্যাখ্যা করছে। 

আমাদের ক্যারিয়ার গঠনে ইন্টারনেট কি কাজে আসে? 

বর্তমান সময়ে আমরা ইন্টারনেট ব্যবহার করে ঘরে বসেই ফ্রিল্যান্সিং বা ই-কমার্স ব্যবসার মাধ্যমে টাকা ইনকাম করতে পারি ধরনের বিভিন্ন ধরনের আবেদন করার জন্য আমরা ইন্টারনেট ব্যবহার করি। ঘরে বসে আমরা বিভিন্ন ধরনের জিনিসপত্র অনলাইনে অর্ডার করি আবার টাকা লেনদেন করি বিদ্যুৎ বিল গ্যাস বিল ইত্যাদি দিয়ে থাকি।

 অনেক সময় আমরা ব্যস্ততা থাকার জন্য বাসের ট্রেনের বা বিমানের টিকিট ইন্টারনেটের মাধ্যমে খুব সহজেই পেয়ে থাকি। ইন্টারনেটের মাধ্যমে ঘরে বসেই বিভিন্ন ধরনের নাটক সিনেমা গান দেখার শোনা খেলা বিনোদনমূলক কনটেন্ট দেখে সময় কাটানো সম্ভব হয় যুগের সাথে তাল মিলিয়ে টিকিয়ে রাখতে জীবনে প্রতিটি কাজকে করতে আমাদের ইন্টারনেট ব্যবহার করা উচিত। 

ইন্টারনেট ব্যবহারে সুবিধা কি? 

বর্তমান সময়ে ইন্টারনেট একটি বিশাল তথ্যের ভান্ডার যেখানে আমরা অনেক কিছু জানতে পারি বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে লেখা থাকে বিভিন্ন ওয়েবসাইট সম্পর্কে লেখা থাকে অনেক কোম্পানি সম্পর্কে ওষুধ সম্পর্কে বিভিন্ন জিনিসপত্র দরদাম কিছু জানতে পারি। ঘরে বসে বিভিন্ন ধরনের দেশ-বিদেশের বিভিন্ন জিনিস সম্পর্কে জানতে পারি।চাকরির জন্য আবেদন করতে পারি ঘরে বসে থেকেই না ধরনের অর্ডার করতে পারি। ডিজিটাল ব্যাংকিং গ্যাস বিল ইত্যাদি ইন্টারনেট বিল সুযোগ-সুবিধা পাওয়া যায়। ইন্টারনেটে আমরা সাধারণত গুগলে সার্চ করে অনেক ধরনের তথ্য জানতে পারি যেগুলো আমাদের বই খুঁজতে গেলে অনেক সময় সাপেক্ষ ব্যাপার।

তথ্যের জন্য ইন্টারনেটের উপর নির্ভরযোগ্যতা 

ইন্টারনেটের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো এখানে যে কেউ তথ্য আপলোড করতে পারে ফলে অনেক তথ্য যাচাই না করা বা ভুল প্রমানিত হলে ভুল সার্চ অনেক তথ্য ইন্টারনেটের খুব সাধারণ বিষয়।অনেক সময় দিক ধর্মীয় জাতিগত উদ্দেশ্যে ইতিহাসের ভুল তথ্য বা ভুল ব্যাখ্যা ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়া হয় এতে করে অনেক মানুষ অনেক পাঠক নকল ইতিহাস আলাদা করতে পারে না খুব কঠিন হয়ে পড়ে এবং সময় সাপেক্ষ ব্যাপার। বর্তমান সময়ে খুব সহজে তথ্য পাওয়া যায় বলে বর্তমান প্রজন্মের শিক্ষার্থীর মধ্যে নিজে বই পড়ে ইতিহাস বোঝাচ্ছে থেকে হুবহু কপি করার প্রবণতা বাড়ছে। 

এখনো পৃথিবীতে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ইতিহাস একটা সম্পূর্ণভাবে অজানা থেকে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। যেকোনো ওয়েবসাইট থেকে তথ্য না নিয়ে সবসময় প্রাতিষ্ঠানিক ও ওয়েবসাইট ব্যবহার করতে হবে সেখান থেকে আমরা তথ্য নিতে পারি। ইন্টারনেটে ইতিহাসের কোন ঘটনা দেখলেই সেটি কাল্পনিক বলে গ্রহণ করা যাবে না। সেই তথ্যটি আসলেই কি দুই তিনটি বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য ওয়েবসাইটের তথ্যের সাথে মিল আছে হবে সেগুলো দেখতে হবে। 

ইন্টারনেটে তথ্যের উৎস উল্লেখ 

ইন্টারনেট থেকে কোন ঐতিহাসিক তথ্য নিজে থেকেই খুঁজে বিশ্বাসযোগ্যতা মূলসূত্র উল্লেখ করতে হবে। এতে ইতিহাস লেখার গ্রহণযোগ্যতা বাড়ে চুরির অপরাধ থেকে বাঁচা যায় সত্যতা যাচাই হলে একজন পাঠক এ বুঝে সে অনুযায়ী আরো কিছু লিখতে পারে।আপনি যখন তথ্যের উৎস উল্লেখ করবেন তখন পাঠক বা পরীক্ষক বুঝবেন যে ঠোঁটি মনগড়া নয় বিশিষ্ট সূত্র থেকে নেওয়া এবং সেই তথ্যটি শিখদের সাথে এবং সঠিক তথ্য। অন্যের লেখা ইতিহাস নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া একটি বড় ধরনের অপরাধ শো উল্লেখ করলে দায়ী থেকে মুক্ত থাকা যায়। এতে করে পাঠক সঠিক তথ্য পাবে এবং আপনিও কোনোভাবে দায়ী থাকবেন না সত্যতা যাচাই হবে। যিনি কষ্ট করে মূল ইতিহাস বা তথ্য অনুসন্ধান করেছেন সঠিক তার অন্য তাকে স্বীকৃতি দেওয়ার নৈতিক দায়িত্ব। 

শেষ কথা 

ইন্টারনেট মূলত একটি প্রযুক্তিগত হাতিয়ার। আমরা যদি এটিকে ইতিবাচক ভাবে ব্যবহার করি তবে এটি আমাদের জীবনের জন্য ভালো কিছু এনে দিবে। আর যদি এর ব্যবহার কোন খারাপ কাজে করে থাকি তবে এটি আমাদের জীবনের জন্য বড় ক্ষতির কারণ হতে পারে । পরিশেষে আমি বলতে চাই যে ঘর করুন যেন অপরের কোন ক্ষতি না হয় এবং নিজেরও কোনো ক্ষতি না হয় তোর দিদিকে জানুন এবং সঠিক তথ্য দিয়ে অপরকে সহযোগিতা করুন।

বিভিন্ন ধরনের ঐতিহাসিক ঘটনা বিভিন্ন জিনিস সম্পর্কে জানতে অনেক কিছুই সার্চ দিতে পারেন। কিন্তু সেটা কতটুকু সত্য হট যোগ্য করা উত্যক্ত গুরুত্বপূর্ণ। আপনি যদি ভুল ইতিহাস বা ভুল তথ্য তাহলে এটি এতে অনেক বড় সমস্যার সম্মুখীন হতে পারে। তাই ইতিহাসের তথ্য সংগ্রহে অতি আমাদের দক্ষতা অর্জন করা প্রয়োজন আছে। আমরা নিজেও সঠিক তথ্য বহন করি এবং অন্যদেরকেও তো এবং ভালো কিছু করতে উৎসাহ দিতে পারি।


এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

স্কিল গ্লোবাল টেকের নীতিমালা মেনে কমেন্ত করুন সবগুলো রিভিউ করা হয়

comment url

Md. Ateek Hasan
Md. Ateek Hasan
একজন ডিজিটাল মার্কেটিং এক্সপার্ট এবং স্কিল গ্লোবাল টেকের একজন CEO. তিনি অনলাইন ইনকাম, ব্লগিং, SEO ও টেকনোলজি নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করেন। ১ বছরের অভিজ্ঞতায় তিনি শিক্ষার্থীদের অনলাইনে সফল হতে সহায়তা করে যাচ্ছেন।